সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: 05:08:45 pm, 2025-08-09 | দেখা হয়েছে: 524 বার।
ফুলবাড়ীয়া প্রতিদিন ডটকমের সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর আলম (৩২) কে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে তার ভােই ও বাবা। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মারুফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৭ আগষ্ট) সকালে ফুলবাড়িয়া উপজেলার বরুকা মধ্যপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ীতে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। তাকে দাঁড়ালো দা দিয়ে মথায় ও পায়ে কুপিয়েছে, এছাড়াও রড দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেতলে দিয়েছে। এ সময় তার বাবা আব্দুল কদ্দুছ,মা রোকেয়া বেগম ও ভাই রানা মন্ডল ফিরাতে গেলে তাদেরকেও নৃশংসহভাবে কুপিয়েছে একদল উশৃঙ্খল যুবক। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে, তার বাবা ও মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বরুকা গ্রামের আ. কদ্দুছের ছেলে সাংবাদিক ডক্টর জাহাঙ্গীর আলমদের সাথে প্রতিবেশি সোরহাব আলী গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে হামলা করেন। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এজাহার নামীয় ৮ জন ও অজ্ঞাত ৪ জনকে আসামী করে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি হত্যার চেষ্টা মামলা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ মারুফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যারা আমাদের উপর হামলা করেছে, তারা এলাকায় গোন্ডা প্রকৃতির লোক। তারা গ্রামের অন্যের ঝগড়া কিনে নিয়ে ঝগড়া করে। আমাদের চাচাদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। কিন্তু তারা আমার বাড়িতে এসে দেশিয় দাড়ালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমিসহ আমার বাবা,মা ও ভাইকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ মো. শহিদুল্লাহ দাবী করেন, সাংবাদিকের পরিবারের লোকজন আমাদের উপর হামলা করলে মারামারির ঘটনা ঘটে, এ সময় উভয় পক্ষই আহত হয়েছেন। ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহা. রুকনুজ্জামান বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই সাংবাদিকসহ তার পরিবারে উপর হামলা করা হয়েছে। এঘটনায় রাতে অভিযোগ পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।