Image Not Found!
ঢাকা   রবিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

  ফুলবাড়িয়ায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত (2)        ক-শ্রেণীর পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত হয়েও ফুলবাড়িয়া পৌরবাসী কি সব সুবিধা পাচ্ছে? (2)        ফুলবাড়িয়া উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের কমিটি ঘোষণা (2)        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতার বিরোধিতা কেন্দ্র করে প্রতিবাদ কর্মসূচি (2)        গাজীপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত সাংবাদিক তুহিনের পরিবারের পাশে পুলিশ সুপার (2)        সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের কবর জিয়ারত করলেন ফুলবাড়ীয়া ইউএনও, পাশে থাকার আশ্বাস (2)        ফুলবাড়ীয়ায় সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার ১ (2)        ফুলবাড়ীয়ায় গ্রামের বাড়ীতে সাংবাদিক তুহিনকে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফনঃ ক্ষোভে ফুঁসছে মানুষ (2)        বড়বিলায় রাস্তা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক (2)        উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঈদ শুভেচ্ছা (108)      

মিতু হত্যাকান্ডে ৫ দিনের রিমান্ডে বাবুল আক্তার,স্ত্রীকে হত্যার জন্য দিয়েছিলেন ৩ লক্ষ টাকা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পুলিশে চাকরি প্রাপ্তির পরই পরিবর্তন আসে বাবুল আক্তারের।স্ত্রীকে হত্যার জন্য দিয়েছিলেন ৩ লক্ষ টাকা।মাগুরার ছেলে বাবুল তখন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের ছাত্র। এরপর কয়েক বছর ব্যাংকের চাকরির পাশাপাশি লেখাপড়া করে বিসিএসে পুলিশের চাকরি পান তিনি।এরপরেই বাবুল আক্তারের আচরণে পরিবর্তন আসে বলে জানিয়েছেন মাহমুদা খানম মিতুর মা সাহিদা মোশাররফ।

বাবুল আক্তার ও মাহমুদা খানম মিতু দুজনের বাবাই পুলিশে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে পরিচয় থেকে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে হয়। দুই দশক আগে যখন বিয়ে হয়েছিল, তখন বাবুল পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না।

পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছিলেন মিতু। সে সময় পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন বাবুল। চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করে আসা বাবুলের পরিচিতি ছিল জঙ্গিবিরোধী তৎপরতার জন্য।

স্ত্রী খুন হওয়ার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার বাদী হয়ে যে মামলা করেছিলেন, সেখানেও তিনি বলেছিলেন, তাঁর জঙ্গিবিরোধী তৎপরতার কারণে খুন হয়ে থাকতে পারেন স্ত্রী। তবে এখন এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার বাবুলই ‘পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন’ বলে পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে। মিতু হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল খুনিদের তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারসহ আটজনকে আসামি করে বুধবারই চট্টগ্রামে মামলা করেছেন তাঁর বাবা মোশাররফ হোসেন। ওই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুলকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

বাবুল আক্তারের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটনার বিবরণ দেন সাহেদা মোশাররফ।

তিনি জানান, তাঁদের দুই মেয়ে মাহমুদা খানম মিতু ও শায়লা খানম। বাবা মোশাররফ হোসেনের পুলিশে চাকরির সুবাদে দুই বোন মাহমুদা ও শায়লা নানা জেলায় পরিবারের সঙ্গে থেকেছেন। চাকরির সুবাদে পরিদর্শক মোশাররফের সঙ্গে পুলিশের আরেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল ওয়াদুদের পরিচয় হয়। এই ওয়াদুদের ছেলেই বাবুল আক্তার।

২০০১ সালে বাবুল যখন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী, তখন মাহমুদার সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরও বাবুল আক্তার বেকার ছিলেন। প্রথমে চাকরি নেন একটি বেসরকারি ব্যাংকে। সেই চাকরি ছেড়ে আরেকটি ব্যাংকে চাকরি নেন বাবুল আক্তার। পরে কিছুদিন শ্বশুর মোশাররফ হোসেনের খিলগাঁওয়ের বাসায়ও থেকেছেন বাবুল।

 

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!