সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: 05:00:09 pm, 2024-12-11 | দেখা হয়েছে: 1429 বার।
ভারতীয় আগ্রাসন এবং বাংলাদেশের আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন—যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুপুর ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকায় লংমার্চের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রস্তুতির দৃশ্য দেখা যায়। লংমার্চকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। স্থলবন্দর এলাকায় বিজিবি ও পুলিশের যৌথ নজরদারির পাশাপাশি সমাবেশস্থলের আশেপাশে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে। আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি জানান, লংমার্চকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সেজন্য বিজিবি, জেলা প্রশাসন এবং জেলা পুলিশের সমন্বয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সুলতানপুর ৬০ বিজিবির সিইউ লেফট্যানেন্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার বলেন, “সীমান্তে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।” লংমার্চ চললেও আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ও যাত্রী পারাপারে কোনো প্রভাব পড়েনি। আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, সকাল থেকেই রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। “আজ ২৩টি ট্রাকে করে হিমায়িত মাছ, শুটকি, এবং অন্যান্য পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে। যাত্রী পারাপারেও কোনো সমস্যা হয়নি।” ঢাকা থেকে আসা লংমার্চে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লার বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। শূন্য রেখার কাছে বিজিবির আইসিপি থেকে সমাবেশস্থলের ৫০ গজ পর্যন্ত ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। কোনো নেতাকর্মী ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ ও বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সরিয়ে দিচ্ছে। জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ সুপার এবং বিজিবির নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি চালানো হচ্ছে। লংমার্চের এই আয়োজন নিয়ে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু থাকায় অর্থনৈতিক কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।